বেড়েছে কোভিড পরিস্থিতিতে ল্যাপটপ-ট্যাব-স্মার্টফোনের বিক্রি

Loading...

অনলাইন ডেস্ক : করোনার সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস হচ্ছে অনলাইনে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মিটিং হচ্ছে অনলাইনে। অফিসিয়াল অনেক কার্যক্রমও চলছে অনলাইনে। অন্যদিকে করোনায় অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। সময় কাটাতে অনেকে দীর্ঘসময় পার করছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার। ফলে করোনার এই সময়ে অনেক পণ্যের চাহিদা কমে গেলেও বেড়েছে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং ট্যাবের চাহিদা। সেই সঙ্গে বেড়েছে এসবের দামও। স্মার্টফোন ও ট্যাব প্রতি দাম বেড়েছে গড়ে ২ হাজার টাকা। আর ল্যাপটপ প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকা।

সোমবার রাজধানীর পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। দাম বাড়ার বিষয়ে দোকানিদের কেউ বলছেন, আমদানি একেবারেই বন্ধ। আবার কেউ বলছেন, সীমিত আকারে আমদানি আছে। তবে শুল্কসহ অন্যান্য খরচ বাড়তি থাকায় দাম বেড়েছে। আবার কোনো কোনো দোকানি বলছেন, ভিভো ও অপ্পোর কারখানা বাংলাদেশে রয়েছে। তারা নতুন নতুন মডেল বাজারে ছাড়ছে। তবে সেসব পণ্যেরও দাম বাড়তি।

এই শপিং কমপ্লেক্সের ইনোভেশন অ্যালার্ট দোকানের কর্ণধার মো. পলাশ বলেন, ‘আগের চেয়ে করোনার সময়ে এসে ল্যাপটপ ও ট্যাবের বিক্রি বেড়েছে। বলা যেতে পারে, ল্যাপটপের বিক্রি বেড়েছে ১০ শতাংশ এবং ট্যাবের ৫ শতাংশ। পাশাপাশি ল্যাপটপ ও ট্যাবের দামও বেড়েছে। ল্যাপটপ প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকা এবং ট্যাব প্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২ হাজার টাকা। করোনার কারণে আমদানি না থাকায় এই দাম বেড়েছে। অবশ্য সীমিত আকারে কিছু আমদানি আছে। সীমিত আমদানি থাকলেও শুল্কসহ অন্যান্য খরচ বেশি পড়ছে। তাই এই বাড়তি দাম।’

মো. পলাশ আরও বলেন, ‘দাম বাড়তি থাকলেও অনেককে আমরা তাদের চাহিদা মতো পণ্য দিতে পারছি না। তারা যে মডেল খুঁজতে আসে, অনেক ক্ষেত্রে সেসব মডেল না থাকায় তারা ফিরে যাচ্ছেন। এটা এখন বেশি ঘটছে।’আমদানি না থাকা কিংবা খুব সীমিত থাকায় চাহিদা অনুযায়ী স্মার্টফোন গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারছেন না বলে জানান বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের আরএসকে মোবাইল মেলা স্টলের কর্মচারী মো. রাকিব। তিনি বলেন, ‘স্মার্টফোনের চাহিদাও আগের তুলনায় বেড়েছে। কিন্তু করোনার কারণে মোবাইল আমদানি বন্ধ থাকায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী মোবাইল দিতে পারছি না।’ সূত্র: জাগোনিউজ

Share on facebook
16
Share on twitter
6
Share on linkedin
3
Share on whatsapp
5

Posts

প্রধান পৃষ্ঠপোষক: আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্ (এমপি),মাননীয় সংদ সদস্য ঢাকা ১৬,
প্রধান উপদেষ্ঠা: সাইদুর রহমান রিমন, সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: মোঃ মাসুদ রানা (জিয়া), সহকারি সম্পাদক, দৈনিক অগ্নিশিখা,
সম্পাদক: শাহাজাদা শামস ইবনে শফিক
সহ-সম্পাদক: মোঃশরিফুল ইসলাম (রবিন)

সম্পাদকীয় কার্যালয়
১২০/এ মতিঝিল বা/এ, ৪থ তলা, সুইট-৪০২, ঢাকা- ১০০০
বার্তা কক্ষ : ০১৬৪২০৭৮১৬৪
বিজ্ঞাপনের জন্য : ০১৬৮৬৫৭১৩৩৭
Gmail:banglarrazpratidin@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Crafted with by banglarraz24.com© 2022

x

Contact Us