1. admin@banglarraz24.com : admin :
সংবাদ শিরোনাম >>>>>
দেশ একজন দক্ষ নারী নেত্রী এবং সৎ জননেতাকে হারালো: প্রধানমন্ত্রী দৈনিক সকালের সময় এর পত্রিকার প্রকাশক নুর হাকিমের রোগ মুক্তির জন্য মিলাদ ও দোয়া বরিশালে করোনা উপসর্গে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু রিজেন্ট হাসপাতাল অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান চিতলমারীতে করোনা মোকাবেলায় আত্মপ্রত্যয়ী দুই যুদ্ধা ইউএনও ও ডাক্তার ভ্যাকসিন গরিবের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে : ড. আসিফ মাহমুদ আর নেই কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর টেস্ট ছাড়াই করোনা রিপোর্ট দিতো, রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান ! চিতলমারীতে এই প্রর্থম করোনা উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু

খরচ বাড়ছে ১৬ কোটি টাকা বিদ্যুতের পুরনো ইউনিট সংস্কারে

  • সংস্করণ : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

উন্নয়ন প্রকল্পে ফ্রিস্টাইলে খরচ করা হচ্ছে। অনুমোদিত খরচে কোনো প্রকল্পই সমাপ্ত হচ্ছে না। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যয়। দেশের মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে সরকার বিদ্যুৎ খাতে প্রকল্প নিয়েছে। নতুন কেন্দ্র তৈরির খরচে সংস্কার করা হচ্ছে পুরনো বিদ্যুৎ ইউনিট। নির্ধারিত তিন বছর মেয়াদে শেষ না হওয়ায় ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট সংস্কার প্রকল্পের ব্যয় একলাফে ৪৩৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে নতুন করে দু’জন পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে খরচ প্রায় ২৭ কোটি টাকায় উন্নীত করা হলো। আর ক্রেতা ঋণের বিভিন্ন ফি খাতে খরচ বাড়ল ৩৮২ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের কাছে পাঠানো প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, তিন বছরে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ওই ইউনিট সংস্কারের জন্য ২০১৫ সালের মার্চে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ঘোড়াশাল-৩ রিপেয়ারিং প্রজেক্ট দুই হাজার ৫১৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে অনুমোদন দেয়া হয়। শুরুতে ঘোড়াশাল তৃতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ২১৭ মেগাওয়াট। পুরনো হওয়ায় এখন তা কমে ১৭০ মেগাওয়াটে আসে। তা আরো ২৬০ মেগাওয়াট বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে এই সংস্কার প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। প্রকল্প ব্যয়ের দুই হাজার ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে আসবে বলে ধরা হয়েছে। কিন্তু পরে বায়ার্স ক্রেডিটে চীনের এইচএসবিসি ব্যাংক অর্থায়ন করে। এটা ইসিএ ঠিকাদারের ঋণ। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি সমাপ্ত করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করতে পারেনি বাস্তবায়নকারী সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। পরে দুই বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নেয়া হয়। তাতেও তারা সমাপ্ত করতে ব্যর্থ হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি ৮৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ, বাস্তব অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঋণদাতার সাথে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নতুন করে একজন কারিগরি ও একজন পরিবেশ বিষয়ক পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরামর্শক খাতে খরচ আগে ছিল ১০ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নতুন করে দু’জন নিয়োগের কারণে সেই খরচ ১৬ কোটি ৮ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে অসম্ভব খরচ বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ফি খাতে। বায়ার্স ক্রেডিট বা ক্রেতা ঋণের চুক্তির আওতায় বিভিন্ন ধরনের ফি ২৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ছিল। এখন এটা ৩৮২ কোটি ৩১ লাখ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের মূল প্রস্তাবনায় বৈদেশিক ঋণ খাতের জন্য নির্মাণকালীন সুদ গণনা করা হয় ১৯৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। অন্য দিকে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা বাবদ রাজস্ব খাতে ৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা খরচের স্থলে ১২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। জ্বালানি খরচও ১২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা করা হয়েছে।

মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস পরে প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। ওই প্রস্তাবনায় বলা হয়, বিভিন্ন অঙ্গের ব্যয় হ্রাস-বৃদ্ধি এবং নতুন আইটেম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে প্রকল্পটি সংশোধন করতে হবে। এখানে নতুন করে দু’জন পরামর্শক নিয়োগ দিতে হবে। যার কারণে ওই খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে চীনা ঋণের পরিমাণ ৫৬৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাবনায় ইসিএ ঋণ দুই হাজার ৫৮৯ কোটি ৭ লাখ টাকা করা হয়।

এই ব্যাপারে প্রকল্পের উপ-পরিচালকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, দুই মাস হলো এই প্রকল্পে তিনি যোগদান করেছেন। ফলে প্রকল্পের ব্যাপারে অনেক কিছুই বলতে পারবেন না। আগের প্রকল্প পরিচালক অবসরে গেছেন। নতুন যিনি এসেছেন উনি ও আমি ভিন্ন জায়গায় থাকি। ফলে যোগাযোগ তেমন একটা নেই। পরে প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সাথে দু’দফা ফোনে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2019 Banglar Raz-24
Site Customized By NewsTech.Com
Live Updates COVID-19 CASES